Last Updated (Saturday, 20 April 2013 21:57) Written by Radha Krishna Saturday, 20 April 2013 00:00
Dear Devotee(s),
We cordially invite you, your family and friends to the 15th Annual Harinama Sangkirtana 2013.
Date:
Sunday, 28th April, 2013
Venue:
Divya Dham Gita Temple
34-63 56 Street, Woodside, NY
(Corner of 37th Ave. & 56 Street)
[G/R/V train to Northern Blvd., or 7 train to 61 Street Subway]
আসছে ২৮ এপ্রিল ২০১৩, রোববার নিউইয়র্কস্থ শ্রীমদ্ভগবদ গীতা সংঘ, শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর শুভ আবির্ভাব এবং
বিশ্বমানবের কল্যানে প্রতিবারের ন্যায় এবারও ১৫তম উদয়-অস্ত অখন্ড হরিণাম সংকীর্ত্তন মহাযজ্ঞের আয়োজন করেছে। এবারও উডসাইডের বিশাল দিব্যধাম সেবাশ্রম সংঘের মন্দিরে প্রবাসের বিশিষ্ট কীর্তনীয়াদের সমন্বয়ে গঠিত সকল দলের অংশ গ্রহনে কীর্তন মহামহোৎসব অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এ উপলক্ষ্যে মাসব্যাপি ব্যাপক প্রস্তুতি চুড়ান্ত পর্যায়ে। অনুষ্ঠানে সকল ভক্তদের জন্য আকণ্ঠ মহাপ্রসাদ গ্রহনের ব্যবস্থা ও একটি সুদৃশ্য সুভ্যেনির "শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য" প্রকাশ করা হবে। সকল পূন্যার্থীদের এই হরিণাম সক্রিয় অংশগ্রহণ করার জন্য শ্রীমদ্ভগবদ গীতা সংঘের পক্ষ থেকে বিনীত অনুরোধ জানানো হয়েছে। বিস্তারিত যোগযোগ: ৭১৮-৬৩৯-৪৮৭৫
Last Updated (Saturday, 10 November 2012 02:19) Written by Radha Krishna Saturday, 10 November 2012 02:04
মার্কিন কংগ্রেসে প্রথম হিন্দু মহিলা জনপ্রতিনিধি হিসাবে তুলসী গাবার্ডের বিজয়ে আমরা আপ্লুত। গীতা সংঘের পক্ষ থেকে তাকে অভিনন্দিত করছি, এবং তার সুন্দর ভবিষ্যৎ কামনায় আমরা ভগবান শ্রীকৃষ্ণের চরনে প্রার্থনা জানাচ্ছি।
=========দৈনিক বর্তমান পত্রিকার সংবাদ এখানে হুবহু তুলে ধরছি =================
আমেরিকার প্রথম জনপ্রতিনিধি হিন্দু মহিলাকে কুর্নিশ ওবামার

ওয়াসিংটন, ৯ নভেম্বর (পি টি আই): নিপাট বৈষ্ণবীয় দর্শন ছিল তার অস্ত্র। মার্কিন মুলুকের ভোটযুদ্ধে তা ব্যবহার করে জিতেও গিয়েছেন তিনি। মার্কিন হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসে জন প্রতিনিধিত্বের দায়িত্ব পেয়ে মার্কিন কংগ্রেসের ইতিহাসে ঠাঁই করে নিয়েছেন তুলসী গাবার্ড। এবার জননেতা হিসাবে কাজও করবেন একেবারে বৈষ্ণবীয় দর্শনের অনুশাসন মেনেই। তাই হয়তো শুক্রবার আমেরিকার ভাবী প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার অভিনন্দন পেয়ে তিনি বলেছেন, মানুষকে ভালবাসার চেয়ে বড় কিছুই নেই। কিছু থাকতেও পারে না। যে ভালবাসা দিয়েই আমি হাওয়াই প্রদেশের মানুষের সুখ-দুঃখের সঙ্গী হব। আমার বাড়ির দরজা সাধারণ মানুষের জন্য সর্বদাই খোলা। আমার দায়িত্ব অনেক বেড়ে গেল। আমেরিকার সঙ্গে ভারতের সুসম্পর্কের সেতু বন্ধনেও এই মহিলা মার্কিন কংগ্রেস সদস্য বিশেষ উদ্যোগী হবেন বলেও জানিয়েছেন।
হাওয়াই প্রদেশের রিপাবলিকান প্রার্থী কাওয়াইকা ক্রোলেকে ব্যাপক ভোটের ব্যবধানে হারানোর পর মার্কিন মুলুক জুড়েই তুলসী পেয়েছেন অভিনন্দন। সে দেশে বসবাসকারী ভারতীয় হিন্দুরা তার প্রশংসায় পঞ্চমুখ। আজ ওবামা তুলসীকে সরকারিভাবে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। হোয়াইট হাউসের এক প্রতিনিধি সাইন ইনোই বলেছেন, হিন্দু প্রতিনিধি হিসাবে তুলসীকে এই প্রথম অভিনন্দন জানালেন ওবামা। তুলসীর লড়াকু মনোভাবকে তিনি কুর্নিশও করেছেন।
ইনোইয়ের কথায়, শুধু আজকেই নয়, জয়ের পর উচ্ছ্বসিত ওবামা যে জাতির উদ্দেশ্যে বক্তব্য পেশ করেছিলেন তাতেও তুলসীর নাম না করে ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেছিলেন, বিভেদ বুঝি না কে সাদা, কে কালো। কে কোথা থেকে এসেছেন তাও জানতে চাই না। বুঝি না কে বৃদ্ধ, কে যুবক। আমি শুধু বুঝি লড়াই, শুধু লড়াইকেই। আর বুঝি কঠোর পরিশ্রমকে।
সত্যিই তো মার্কিন কংগ্রেসে হিন্দু মহিলা হিসাবে প্রতিনিধিত্ব করতে কম কসরৎ করতে হয়নি তুলসীকে। আর তার সেই পরিশ্রমের মূলমন্ত্রই ছিল সেবা। গোলাগুলির মাঝে দাড়িয়ে মার্কিন মেডিক্যাল টিমের কর্ত্রী হিসাবে অশান্ত কুয়েতে সেবা করে গিয়েছেন তেইশ বছরের তুলসী। ভোটের লড়াইয়েও দিনরাত এক করে দিয়েছেন সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিলেমিশে। এদিনও তিনি বলেছেন, পরিশ্রমের কী আর কোনও শেষ রয়েছে? বরং প্রতিমুহূর্তে নিজেকে চ্যালেঞ্জ নিতে হয় পরিশ্রমকে উজাড় করে দেওয়ার। আমি চ্যালেঞ্জটা নিয়েছি। এক্ষেত্রে আমার একমাত্র ভরসা গীতা-ভাগবত।
তুলসীর বাবা ক্যাথলিক, মা হিন্দু। তিনি বলেছেন, আমাকে ভালবেসে হাওয়াই প্রদেশের হিন্দু, খ্রিষ্ট্রান, মুসলিম, শিখ-সহ সকল ধর্মের মানুষই আমাকে ভোট দিয়েছেন। তাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। তাদের সার্বিক উন্নয়নে আমি আপ্রাণ চেষ্টা করব।
এদিকে ওবামার দ্বিতীয়বার প্রেসিডেন্ট হওয়াকে ভারত-আমেরিকার সম্পর্কে আরও গভীর হবে বলে মনে করছে রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ। আজ এক বিবৃতিতে রিপাবলিকান ন্যাশনাল কনভেশনে প্রতিনিধিত্ব করা ডঃ সম্পাত শিবাঙ্গী বলেছেন, ওবামার প্রেসিডেন্ট পদে দ্বিতীয়বার নির্বাচিত হওয়ার ফলে ভারতের সঙ্গে আমেরিকার বন্ধুত্বের সম্পর্ক আরও অটুট হবে। দু’দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কও ভাল হবে।